EEE

আধুনিক সভ্যতায় শক্তির মূল উৎস হিসেবে ইলেকট্রিসিটিকে বিবেচনা করা হয়। বর্তমান সভ্যতার বিবর্তনে সারা বিশ্বব্যাপী আজকের উন্নয়ন এবং সভ্যতা নিয়ন্ত্রণ করছে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি। ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি ছাড়া বর্তমান সভ্যতা অচল। বিদ্যুৎ উৎপাদন, ট্রান্সমিশন এবং ডিস্ট্রিবিউশনসহ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি উৎপাদন, মেরামত ও সংরক্ষণ কাজে এবং ইলেকট্রিক্যাল ক্ষেত্রসমূহে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটগণ কাজ করে থাকেন। বিদ্যুৎ উন্নযন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ড, গণপূর্ত বিভাগ, টি এন্ড টি বোর্ড, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি, সার কারখানা, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রসমূহসহ সরকারী, আধাসরকারী এবং বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটগণ সাব-এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়অর, ক্ষেত্র বিশেষে এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রাথমিক নিযুক্তি পেয়ে থাকে। বাংলাদেশে বেসরকারী পর্যায়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র রয়েছে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, কোরিয়া, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপ্লোমা গ্র্যাজুয়েটদের উচ্চমান চাহিদা রয়েছে। এ টেকনোলজিতে প্রধান পাঠ্যবিষয় সমূহঃ বেসিক ইলেকট্রিসিটি, ইলেট্রিক্যাল প্ল্যানিং এন্ড এসিটমেটিং, ইলেকট্রিক্যাল সার্কিট, ইলেট্রিক্যাল মেশিনস্, সুইচ গিয়ার এন্ড প্রোটেকটিভ ডিভাইসেস, জেনারেশন-ট্র্যান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন অব ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি, ইলেকট্রিক্যাল মেজারমেন্ট এন্ড মেজারিং ইনস্ট্রুমেন্টস, ইলেকট্রনিক্স ইত্যাদি। চ্যালেঞ্জিং জীবন গঠনের জন্য ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং একটি উত্তম মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করা যেতে পারে।

 

ইলেকট্রিক্যাল বিভাগ:

1। ইলেকট্রিক্যাল মেশিন শপ

2। ইলেক্ট্রিক্যাল ওয়্যারিং ল্যাব

3। ইলেক্ট্রনিক্স ল্যাব

4। কম্পিউটার ল্যাব