POWER

পাওয়ার টেকনোলজি

 

দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে যে চারটি টেকনোলজি নিয়ে বর্তমানে শিক্ষ কার্যক্রম চালু আছে তার মধ্যে পাওয়ার টেকনোলজি অন্যতম। এই টেকনোলজিতে অধ্যায়নকালে একজন শিক্ষার্থীকে (ক) অটোমোবাইল ইঞ্জিন এন্ড পাওয়ার ট্রান্সমিশন সিস্টেম ও বডি বিল্ডিং (খ) স্টীম জেনারেশন (বয়লার), স্টীম ইঞ্জিন ও স্টীম টার্বাইন, (গ) পাম্পস্, হাইড্রনিক্স মেশিনস্, ফ্লুইড মেকানিক্স ও এয়ারকম্প্রেসরস্, (ঘ) ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন, ট্র্যান্সমিশন এন্ড ডিষ্ট্রিবিউশন, (ঙ) লিফটিং ট্যাকল্স, হয়েস্টস্ ও মেকানিক্যাল মেশিন টুলস্ ইত্যাদি প্রধান প্রধান ক্ষেত্রে শিক্ষা লাভ করতে হয়। পাওয়ার টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, প্রাইভেট অর্গানাইজেশন, এনজিও-তে উপ-সহকারী প্রকৌশলী ক্ষেত্র বিশেষে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ছাড়াও আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। যে সকল প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে জুনিয়র ইনস্ট্রাক্টর এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে গণপূর্ত বিভাগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, হাউজিং এন্ড সেটেলমেন্ট, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ফুড এন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন, কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন, স্টীল এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন, বিএডিসি, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, টি এন্ড টি ডিপার্টমেন্ট ইত্যাদি।

ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি ও মেকানিক্যাল টেকনোলজির বিভিন্ন বিষয় সমন্বয়ে পাওয়ার টেকনোলজির পাঠ্যসূচী প্রণয়নের কারণে এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইলেকট্রিক্যাল এবং মেকানিক্যাল উভয় টেকনোলজিতেই পারদর্শী হয়ে থাকে। এই টেকনোলজি থেকে পাশ করা গ্র্যাজুয়েটগণ বিদেশে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে চাকুরী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের মাধ্যমে শক্তিশালী জাতীয় অর্থনৈতিক ভিত্তি গঠনে অবদান রাখছে।

 

পাওয়ার বিভাগ

1। অটোডিজেল শপ

2। পাওয়ার জেনারেশন শপ

3। রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশন শপ

4। হাইড্রলিক্স ল্যাব

5। স্টীম ইঞ্জিন ল্যাব